সিদ্ধিরগঞ্জে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যাবসায়ী জিহাদ গ্রেফতার।
কোটি টাকার মাদক আটক-তদন্তে খোঁজা হচ্ছে পুরো সিন্ডিকেট
নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জে আবারও বড় ধরনের মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ১০,০০০ (দশ হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ।
নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ আব্দুল বারিক, পিপিএম এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোঃ জাকিরুল ইসলাম, এসআই (নিঃ) মোঃ মোস্তফা কামাল ও সঙ্গীয় ফোর্স মোঙ্গলবার (০৯ ডিসেম্বর ২০২৫) রাত আনুমানিক ৯টা ২৫ মিনিটে অভিযানটি পরিচালনা করেন।
অভিযানস্থল ছিল সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন পাইনাদী নতুন মহল্লা শাপলা চত্ত্বর মায়া টি-স্টোরের সামনে পাকা রাস্তা।
সন্দেহজনকভাবে চলাফেরা করায় পুলিশ জিহাদ নামে ছেলেকে আটক করে।
জিজ্ঞাসাবাদে তার পরিচয় পাওয়া যায়:
নাম: জিহাদুল ইসলাম (২০)
পিতা: জিয়াউর রহমান
মাতা: দেলোয়ারা বেগম
বর্তমান ঠিকানা: পাইনাদি নতুন মহল্লা, পিএমএ’র মোড়, থানা–সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ
স্থায়ী ঠিকানা: রঙ্গিখালী দক্ষিণ হ্নীলা, টেকনাফ, কক্সবাজার।
অভিযান চলাকালে তার হেফাজত থেকে ১০,০০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে পুলিশ। যার বাজার মূল্য বহু লক্ষ টাকা।
রিমান্ডে এনে উৎস জানার দাবি এলাকার স্থানীয়দের।
এ ধরনের একটি বিশাল পরিমাণ মাদক একজনের পক্ষে একা বহন বা সরবরাহ করা সম্ভব নয়,
উল্লেখ করে স্থানীয় সচেতন মহল ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিজ্ঞ কর্মকর্তারা মনে করছেন জিহাদুলকে রিমান্ডে এনে এই ইয়াবা গুলি কোথায় থেকে সংগ্রহ করেছে, কার কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে এনেছে, এবং কারা তাকে সহযোগিতা করেছে এসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বের করা প্রয়োজন।
কল লিস্ট–ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে মাদক সিন্ডিকেট শনাক্তের দাবি,
জিহাদুলের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরগুলো সংগ্রহ করে
`কল লিস্ট বিশ্লেষণ,
`লোকেশন ট্র্যাকিং,
`যোগাযোগে থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত,
এবং লুকিয়ে থাকা ডিলার ও শেল্টারদাতাদের খুঁজে বের করার জন্য স্থানীয়রা নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।
তাদের বক্তব্য: এই এলাকায় মাদক কারবার দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকায় মূল হোতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় না আনলে সমস্যার সমাধান হবে না।
শুধু বাহক নয়, মাদক ব্যবসায় যাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে চলে
সেই শেল্টারদাতাদেরও গ্রেফতার করতে হবে।
গ্রেফতারকৃত জিহাদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নারায়ণগঞ্জ জেলা সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় নিয়মিত মামলা তৈরি করা হয়েছে।
ইয়াবার উৎস ও সংশ্লিষ্টদের খুঁজে পেতে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ক্রাইম রিপোর্টারঃ মহারানী,
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
