আওয়ামী লীগ জামায়াত মিলেমিশে একাকার।
আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে পুরো দেশের মানুষ যখন ক্ষোভে ফুঁসে উঠছে;ঠিক তখনই একটা ওহি আসলো জামায়াতের আমিরের পক্ষ থেকে,"আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমার ঘোষণা"।
সেটা যে শুধু ওহি কিংবা কথার কথা নয় সেটা আজ এতো মাস পর এসে প্রমাণিত হলো।আজকে জামায়াতের ঢাকা অচলের কর্মসূচি আর আগামী পরশু আওয়ামী লীগের ঢাকা লকডাউনের ঘোষণা।
আরো বড়ো সত্য হলো এই আওয়ামী লীগ এবং জামায়াত দুদলই সারাদেশ থেকে তাদের নেতা-কর্মীদের ঢাকায় জড়ো করার ঘোষণা দিয়েছে।
চট্টগ্রাম রাজশাহী সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় যখন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিএনপি ধরিয়ে দিচ্ছে তখন এই জামায়াতের নেতা-কর্মীরা সে-ই আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ছাড়িয়ে এনেছে।
ইতিমধ্যেই ঢাকায় বেশ কয়েকটা বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে,এখন এই বাসে আগুন জামায়াতের ঢাকা অচল কর্মসূচি থেকে দেওয়া হচ্ছে না-কি আওয়ামী লীগের লকডাউন কর্মসূচি থেকে দেওয়া হচ্ছে সাধারণ মানুষ এটা নিয়েই সন্দিহান।
দেশের এই ক্রান্তিকালে দেশকে অস্থিতিশীল করার এজেন্ডা হাতে নিয়েছে এই আওয়ামী লীগ আর জামায়াত।দেশপ্রেমিক জনতাকে বলবো এদের বিরুদ্ধে কঠিন ঐক্যে গড়ে তুলুন।
ইতিহাসও বলে এই দুটি দল সবসময়ই দেশের মানুষের গণ আকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।দেশের মানুষ যখন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার জন্য মুখিয়ে আছে ঠিক তখনই এ-ই আওয়ামী লীগ জামায়াত নির্বাচন ঠেকাও মিশনে নেমেছে।
এ-ই নির্বাচন ঠেকাও মিশনের অংশ হিসেবে ঢাকা এবং ঢাকার বাহিরে বিভিন্ন জায়গায় আগুন দিচ্ছে আওয়ামী লীগ জামায়াত।সুতরাং সজাগ থাকুন মুক্তিকামী জনতা।এসব দেশবিরোধীদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠুন,এদের সকল অপরাজনীতি রুখে দেওয়ার সময় এসেছে
