সিদ্ধিরগঞ্জে আওয়ামী লীগের দোসর বাহিনীর অন্যতম সহযোগী মাদক সম্রাট জসিম এবং বকুল গ্যাং ফের প্রাকাশ্য চালাচ্ছে মাদক ব্যবসা।
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকাজুড়ে মাদকের অবাধ ব্যাবসা অন্যতম সহযোগী মাদক ব্যবসায়ী সম্রাট আওয়ামী লীগের ক্যাডার টাইগার ফারুকের ভাই আবু সাইদের ছেলে ইয়াবা ডিলার জিসম, সালাম, গুজা শাহ আলাম, মোল্লা বাড়ির ডান পাশের এলাকার নাটক মামুন এবং তার স্ত্রী হেনা বেগম ও মামুনের ছোট ভাই মানিক, বগা কাদিরের ছেলে হাসান, মানব পাচার কারী মামলার আসামি ইয়াবা ডিলার মিজমিজী তালতলা ক্লাব এলাকার মেহেদী, আওয়ামী লীগের দোসর মৎস্য শ্রমিক লিগের নেতা কল মিস্তিরি আউয়ালের ছেলে করিম বাদশা, এবং বকুলের স্ত্রী রিতার শেল্টারে বিলাই চউখ আলামীন, এবং মিজমিজী টি সি রোড তেরা মার্কেটের লোকমান টাওয়ার সামনে জেলা ব্রাক্ষণবাড়িয়ার থানা নবীনগর গ্রাম সাহেব নগরের এলাকার ছেলে সেলুন কাদির এবং মাদকের ডিলার বকুলের স্ত্রী মাদক সম্রাজ্ঞী রিতার ছোটো বোন জামাইর সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন মিজমিজী তেমার্কেট জুয়েল রোড মটরস্ ম্যাকানিকাল আশিকের বড়ো ভাই কুমিল্লা জেলার দাবিদার থার মামুন তাদের কাছে হাত বাড়ালেই মিলছে ইয়াবা, ফেনসিডিল, হেরোইন, গাঁজা সহ নানান ধরনের মাদক এখন দেশে সরকার নাই বলে তাই পরিবর্তে মাদক সিন্ডিকেটের নেতৃত্ব দিচ্ছে নতুন ও বিপরীত ঘটনার সিন্ডিকেট। মাদক কারবারে যুক্ত হয়েছে অপ্রতিরোধ্য কিছু নতুন মুখ। বিগত সময়ে সিন্ডিকেট পরিচালনা করা কয়েকজনও রয়েছে নেপথ্যে। আবার বিগত সময়ে নানা অপকর্মে অভিযুক্ত কেউ অর্থ লগ্নি করে ঘরানা বদল করে চালিয়ে যাচ্ছে মরণ নেশার এই মাদক কারবার। আর নেশায় বুদ হচ্ছে উঠতি যুবক, স্থানীয় স্কুল পড়ুয়া ছোট ছোট শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষ। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার মিজমিজী বাতেন পাড়া এবং পাইনাদী সি আই খোলা এলাকার বেশিরভাগ স্পটে অনেকটা প্রকাশ্যে চলছে মাদক ব্যবসায়ী সম্রাটের মাদক কারবার। অল্পদিনে টাকা কামানোর ব্রত নিয়ে যুক্ত হওয়া সম্রাট ইয়াবার সয়লাব করছে এই এলাকায়। দ্রুত পরিস্থিতি উত্তরণে এলাকায় জোরালো পুলিশি টহল ও জড়িতদের আটক করা হলেও মোটা অংকের টাকা খেয়ে ছেড়ে দিয়ে যায় বলে দাবি করা হয়েছে।
জানা যায়, তবে বর্তমানে এলাকায় মাদক ব্যাবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে প্রাকাশ্য আগের থেকে আরো জোরালোভাবে বুক ফুলিয়ে ওপেন মাদক ব্যবসা করে যাচ্ছে এই মাদক ব্যবসায়ীরা।
ওই এলাকার বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য মিলেছে, সকাল থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত মাদক ব্যবসায়ী সম্রাটের মাদক বেচাকেনা চলছে মিজমিজী টি সি রোড তালতলা ক্লাব, মোল্লা বাড়ির আশেপাশের চিপা চাপা গল্লী গুলো সহ মোল্লা বাড়ির ডান পাশের এলাকার সামনে, পাইনাদী সি আই খোলা বালুর মাঠে সহ মিজমিজী বাতেন পাড়া পাগলা বাড়ি, মতিন হুজুরের বাড়ির সংলগ্ন, আলামীন নগর, রহমত নগর, মজিব বাগ, রোশন চেয়ারম্যান বাড়ির সংলগ্ন আশেপাশে এলাকায় বাঁশ বাড়ি রেস্টুরেন্টে সহ বেশকয়েকটি স্পটে।
আর সন্ধ্যা নামলেই মাদকসেবীদের ভিড় জমে এইসকল স্পটে। উঠতি যুবক, এমনকি ছাত্রদের এ ব্যবসায় ব্যবহার করা হচ্ছে। সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন মিজমিজী ও পাইনাদী এলাকার অনেক অভিভাবকের দাবি, এলাকায় যে হারে মাদক ব্যবসা বেড়েছে তাতে এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। বিশেষ করে এলাকায় চুরি ছিনতাই বেড়ে গেছে। মসজিদের দান বাক্সও সাবাড় হয়ে যাচ্ছে। রাজনৈতিক ঘটরানার পরিবর্তন করে ভোল পাল্টে অনেকে এই অনৈতিক কারবার করছে। আবার একটি রাজনৈতিক ঘটরানার নাম ভাঙিয়ে কিছু নতুন মুখ এই অনৈতিক ব্যবসায় লিপ্ত হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় হামলা ও মামলার শিকার হচ্ছে এলাকার মানুষ। নারায়ণগঞ্জ জেলার ডিবি পুলিশ র্যাব-১১ এবং সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত প্রশাসন যদি হস্তক্ষেপ না করে তাহলে এলাকার পরিবেশ আরো নষ্টের দিকে যাবে। সূত্রের দাবি, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীরা অবাধে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, যা তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে এবং সামাজিক ভারসাম্য নষ্ট করছে। মাদক কারবার বন্ধে কঠোর ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে এলাকা থেকে এই সমস্যা নির্মূল করতে হবে। সেক্ষেত্রে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করতে হবে। মাদক কারবারের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আটক করতে হবে। এলাকায় নিয়মিত নজরদারি বৃদ্ধি করতে হবে।
রিপোর্ট জয়নুল ইসলাম নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।
