রামপালে ডাকাতি মামলার দুই পলাতক আসামি আটক চার মাস পর র‍্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার, আদালতে সোপর্দ।

প্রকাশিত: 04 Jan 2026, 16:36
রামপালে ডাকাতি মামলার দুই পলাতক আসামি আটক চার মাস পর র‍্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার, আদালতে সোপর্দ উপজেলা প্রতিনিধি, রামপাল (বাগেরহাট): বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় সংঘটিত একটি চাঞ্চল্যকর ডাকাতি মামলার চার মাস ধরে পলাতক থাকা দুই আসামিকে আটক করেছে র‍্যাব–৬। শনিবার গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে রামপালের গৌরম্ভা এলাকা থেকে পৃথকভাবে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন—মো. নান্নু শেখ (৪৭), পিতা আজগার আলী শেখ, গ্রামের নাম কাষ্ঠবাড়িয়া এবং কামরুল ইসলাম শেখ (৪৮), পিতা মো. শাহাজউদ্দিন শেখ, গ্রামের নাম চিত্তা—উভয়েই রামপাল উপজেলার বাসিন্দা। র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, রামপাল উপজেলার চিত্রা এলাকায় মো. আছাদের বাড়িতে সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে ওই দুই আসামি দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। এ ঘটনায় রামপাল থানায় মামলা নম্বর–১০ দায়ের করা হয়, যার ঘটনার তারিখ ৩০ আগস্ট ২০২৫। র‍্যাব–৬ জানায়, ডাকাতি মামলার পলাতক আসামিদের অবস্থান সম্পর্কে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার গভীর রাতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই দুই আসামিকে আটক করা সম্ভব হয়। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের রামপাল থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ বিষয়ে রামপাল গৌরম্ভা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. হাছানুর রহমান বলেন, “মো. আছাদের বাড়িতে সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় এর আগে চারজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। দীর্ঘদিন পলাতক থাকা বাকি দুই সন্দেহভাজন আসামিকে র‍্যাব আটক করে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের মাধ্যমে মামলার তদন্ত কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কেউ থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রবিবার (আজ) সকাল ১১টায় আটককৃত দুই আসামিকে বাগেরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্র নিশ্চিত করেছে। এদিকে দীর্ঘদিন পর পলাতক আসামিদের আটকের খবরে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ওই ডাকাতির ঘটনার পর থেকে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং অপরাধ দমনে এমন অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানান। স্থানীয়দের মতে, সময়মতো অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পারলে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ আরও জোরদার হবে।
📘 ফেসবুক ▶️ ইউটিউব