কাহারোলে সরকারি দোকান ভাড়া-১৫-বছরের বিল বাকি'দোকান চলছে যুবলীগ নেতার!
কাহারোলে সরকারি দোকান ভাড়া-১৫-বছরের বিল বাকি'দোকান চলছে যুবলীগ নেতার!
রিপোর্ট মো: জয়নুল আবেদীন বাপ্পি দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি।
-দিনাজপুরে কাহারোল উপজেলা পরিষদ মার্কেট আমতলা মোড়ে অবস্থিত।উক্ত মার্কেট রুম গুলো দোকান ভাড়ায় পরিচালিত হয়।পরিষদের প্রশাসনিক নিয়ম-নীতিমালা অনুযায়ী।
-তথ্য সূত্রে জানা যায়,উপজেলা পরিষদ মার্কেটের
-৫-নং-একটি দোকান রুম লীজ গ্রহীতা শর্ত অনুযায়ী ৯৯ বছরের লীজ ইজারা গ্রহণ করেন মৃত কবির মাস্টার নামে প্রথম লীজ মালিক।
-মালিকানায় দ্বিতীয় পরবর্তী মালিক আনুমানিক-১৫-থেকে-২০-বছর পূর্বে পরিবর্তন করে।
লীজ গ্রহণে হস্তান্তর বর্তমান মালিক উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহ মোস্তফা আলম।
-ঐ দোকান-ইজারায় লীজ প্রদানে শর্তাবলী রয়েছে প্রতি মাসেই মাসিক ভাড়া পরিশোধের নিয়ম অনুযায়ী শর্তে উল্লেখ রয়েছে প্রশাসনিক।
-উক্ত পরিষদের সরকারি দোকান ভাড়া'য় মাসিক বিল নিয়মিত পরিশোধ না করে।বাকি রেখেছেন আনুমানিক-১৫-বছরের বিল অনুযায়ী মাসিক
-১-হাজার টাকা মূল্যে-১-লক্ষ-৮০-হাজার টাকা বকেয়া বাকি রয়েছে বিল।
-এবং সরকারি নিয়ম নীতি তোয়াক্কা না করেই ভাড়া অর্থ বাকি রেখেই দোকান চলছে নিয়মিত।
-প্রশাসনিক সহযোগিতায় এখনো রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারে তার নামিও অনুপম ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হয়ে আসছে।
-উক্ত বকেয়া বিল আদায়কারী মালিক সংশ্লিষ্ট উপজেলা পরিষদ প্রশাসন।ঐ বকেয়া অর্থ আদায়ের ব্যপারে প্রশাসনিক কোন প্রকার গুরুত্ব বা উদ্বেগে পদক্ষেপ নেই।
-তবে এ বিষয়ে জনমনে ব্যাপক সমালোচনাও রয়েছে। দীর্ঘ বছরে পরিষদের সরকারি মার্কেটের দোকান ভাড়ায়। বিল বাকি রেখে কিভাবে চলছে এখনো দোকান।
-ঐ-দোকান ভাড়াটিয়া মালিক কাহারোল উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।
-আওয়ামী লীগ সরকার ঐ-৫-ই-আগস্টে পতন ঘটলে।এর পর থেকেই তিনি এলাকায় নেই রয়েছেন আত্ম গোপনে।
-এ-বিষয়ে উপজেলা পরিষদের হিসাব সহকারী কর্মকর্তা জগদীশ চন্দ্র রায় এর কাছে তথ্য জানতে চেষ্টা করলে,ইউএনও ছুটিতে রয়েছে তার অনুমতি ছাড়া সঠিক তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি।তবে দোকান ভাড়ার বিল বাকি রয়েছে,সঠিক তথ্য দিতে রাজি নন ইউএনওর নির্দেশ ছাড়া।
-নির্বাহী অফিসার ছুটিতে থাকাকালীন(ভারপ্রাপ্ত) দায়িত্ব পালন করছেন,সহকারী কমিশনার(ভূমি)প্রবীর বিশ্বাসের সাথে যোগাযোগ করলে,ইউএনও স্যার ছুটিতে রয়েছেন বেশ কয়েকদিনের,তিনি কর্মস্থলে আসলে এ তথ্য জানাবেন। ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে জরুরী সেবা বিষয়ে ছাড়া এ তথ্য দিতে রাজি নন তিনি।
