কাহারোলে-১২১-টি বিদ্যালয়ে কমলমতি শিক্ষার্থীদের অস্বাস্থ্যকর খাবারে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিশুরা!
কাহারোলে-১২১-টি বিদ্যালয়ে কমলমতি শিক্ষার্থীদের অস্বাস্থ্যকর খাবারে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিশুরা!
রিপরতঃমোঃ জয়নুল আবেদিন বাপ্পি দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি।
দিনাজপুরে কাহারোল উপজেলায় ইএসডিও(Esdo) এনজিও কর্তৃক।অর্থায়নে-১২১-টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে-১২,৫৩৫-জন কমলমতি শিক্ষার্থীদের খাবার বিতরণ অস্বাস্থ্যকর খাদ্য স্বাস্থ্যঝুঁকিতে কমলমতি এবং শিশু শিক্ষার্থীরা।
উক্ত খাবার বিতরণ নিয়মাবলী ও কার্যক্রম সম্পর্কে সার্বিক তথ্য ঐ এনজিও ইএসডিও কর্তৃপক্ষ উপজেলা উত্তম রায় (ম্যানেজার)জানায়,
অত্র উপজেলায়-১২১ টি তালিকাভুক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কমলমতি ও শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার বিতরণে,সপ্তাহে- ৩ দিন পারুটি মানসম্মত,-৩ দিন সিদ্ধ কুসুম গরম ডিম এবং কলা-১ দিন মানসম্মত খাবার বিতরণী সপ্তাহে সূচি অনুযায়ী।
বিতরণী প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আসে পাশে অসহায় ব্যক্তি নির্ধারণ করে তালিকা করেছি। খাদ্য প্রস্তুত করে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী শিক্ষকদের মাধ্যমে বিতরণ করেন।
এনজিও কর্তৃপক্ষ খাবার মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে,কলা প্রতি পিচ কলা- ৫ টাকা,বয়লার ডিম প্রতি-১১ টাকা,পারুটি মুল্য তথ্য দিতে অপারগতা এনজিও কর্তৃপক্ষ।
উক্ত খাদ্য পণ্যে ডিলার চুক্তি করেছে এনজিও কর্তৃক,ঐ খাদ্য বেশ কয়েক দিনের খাদ্য একসাথে ঐ ডিলার পরিবহনের এসে বিতরণে নিযুক্ত প্রতিনিধিদের বাড়িতে পৌঁছে দেয় ডিলার চুক্তি মূল্য শর্তে।
ডিলার মালিক কর্তৃপক্ষ জানান,তাদের চুক্তি মূল্য রয়েছে সাগর কলা বা চিনিচম্পা কলা প্রতি- ৪ টাকা,এবং বয়লার ডিম প্রতি-৯ টাকা। প্রতি স্কুলে বিতরণ প্রতিনিধি ব্যক্তিদের নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেয় ডিলার করলেন খাদ্য সরবরাহ।
ডিলার মালিক কর্তৃপক্ষের খাদ্যপণ্য সরবরাহ করতে আসা তারাও বলেন,অস্বাস্থ্যকর খাদ্য তারা দিয়ে যাচ্ছেন যেমন মূল্য তেমন তেমন পন্য।তিন দিনের খাদ্য একদিনেই করেন সরবরাহ।
বিতরণী প্রতিনিধি সাথে চুক্তি মূল্য রয়েছে এনজিও কর্তৃক,প্রতি কলা-১টাকা এবং ডিম প্রতি-২ টাকা সিদ্ধ করে প্রতিষ্ঠানে বিতরণ করেন।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়,ঐ এনজিও যেসব শিক্ষার্থীদের খাবার বিতরণ করবেন তা অবশ্যই স্বাস্থ্যকর মানসম্মত খাবার।খাদ্য বিবরণী তথ্য- ১০০ গ্রাম ওজনে কলা।সাগর এবং চিনিচম্পা কলা নয়,সিদ্ধ কুসুম বা গরম ডিম-১ টি,এবং-১২০ গ্রাম ওজন পারুটি।প্রতিটি খাবার উন্নত মানসম্মত ও স্বাস্থ্যকর খাদ্য।
এদিকে অস্বাস্থ্যকর খাদ্য স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে এবং তথ্য বিষয়ে,গণমাধ্যম তা জানতে চাওয়া মাত্রই জানিয়েছেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ শিক্ষকরা নিম্নমানের খাদ্য এবং তা মানসম্মত নয় শিক্ষার্থীরা উক্ত খাদ্যে স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে অস্বাস্থ্যকর খাদ্য সেবনে।
উক্ত প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে প্রাক প্রাথমিক এবং প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত। প্রায়- ৫ থেকে-১২ বছর পর্যন্ত বয়সের শিশু ও কোমলমতি শিক্ষার্থী রয়েছে।
উক্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে খাদ্য পণ্য বিতরণী অস্বাস্থ্যকর খাবার অভিযোগে হিরিক।স্থানীয় ও অভিভাবক সহ যারাই এ খাদ্য দেখেছে এবং খেয়ছে সকলেই জানিয়েছেন তা নিম্নমানের খাদ্য এবং অস্বাস্থ্যকর খাবারে স্বাস্থ্য ঝুঁকি।
এছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন,এনজিও কর্মীরা আমাদের বলেছিলেন উন্নত খাবার দিবেন তথ্যের সাথে খাদ্যের মিল নেই। রোলাক্স বেকারি তৈরি পারুটি মানসম্মত খাবার দিবেন।কিন্তু তা নয়,বিপ্লব বেকারি তৈরি পারুটি তা শক্ত খেতে তেমন মানসম্মত নয়।
এবং কলা চিনি চম্পা এবং সাগর আধা কাঁচা এই শীতের প্রকোপে অস্বাস্থ্যকর খাবার তা ফরমালিন যুক্ত রয়েছে সম্ভাবনা বর্তমান মৌসুমে এ কলা পাকার কথা নয়। ছোট কলা এবং তা খাবার উপযুক্ত নয় ডিম গুলো ঠান্ডা।এছাড়াও চিনিচম্পা কলা বিতরণ করছে প্রথম সপ্তাহে যা উপযুক্ত খাবার নয়।
বিতরণকৃত খাদ্য সামগ্রী তথ্য সম্পর্কে যারাই জানেন তাদের কাছেও জানা যায়,খাদ্য বিতরণে অস্বাস্থ্যকর এবং ভেজাল খাদ্য বিতরণে গুরুত্ব কেন জানি কারই এ খাদ্য খেলে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে শীত মৌসুমে।
এদিকে বর্তমান দেশে তীব্র শীত ঠান্ডা প্রকোপ বেড়েই চলছে,স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। এমন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর চলমান শীত প্রবাহে সতর্কতা জারি করেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠান হসপিটাল গুলো কে এবং ৭ নির্দেশনাও দিয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তর।এবং বিভিন্ন হসপিটালেও স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে রোগী সংখ্যা এবং মৃত্যুর সংখ্যাও।
এনজিও কর্তৃপক্ষ তথ্য সম্পর্কে উপজেলা ও জেলা ম্যানেজার।খাদ্য বিবরণী ও নিয়ম নীতি এবং কাগজ-কলমে সঠিক তথ্য খাদ্য মূল্য বরাদ্দ তথ্য দিতে তালবাহানা দেখিয়ে দাপটে রয়েছেন এবং তা ধারণা রয়েছে পিছনে।প্রভাব বিস্তার কোন শক্ত ক্ষমতার দাপট রয়েছে।
এনজিওর প্রাথমিক তথ্যের মাঝে সত্যতা নেই বাস্তবতায় তথ্যে জানা যায়।
প্রতিটি বিদ্যালয়ের পাশে অসহায় একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ প্রদান করবেন খাদ্য বিতরণ দায়িত্বে নিযুক্ত থাকবেন তারা এবং প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি স্থানীয় এক জন অসহায় ব্যক্তিদের নির্ধারণ করেছে তারা কাছাকাছি খাদ্য সরবরাহ সুবিধার্থে।
বাস্তবতা তথ্য বলছে,কমপক্ষে ২ থেকে ৩ এবং ৪ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নির্ধারণ করেছে একজন এবং তারা একধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খাদ্য বিতরণ দায়িত্বে।এবং তাদের নিজ এলাকা থেকে অনেক দূরত্ব। এনজিও বলেছিল প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি একজন খাদ্য বিতরণে দায়িত্বে থাকবেন।
তারা অবশ্যই অসহায় ব্যক্তিদের নির্ধারণ করেছেন কিন্তু তা নয়,কেউ মধ্যবিত্ত এবং কেউ বিত্তবান ব্যক্তিদের দিয়েছেন দায়িত্ব খাদ্য বিতরণে।তারাও বলছেন অস্বাস্থ্যকর খাবার বিতরণ করছেন।
স্থানীয়,শিক্ষার্থী,অভিভাবক এবং শিক্ষক, কর্মচারী সহ অনেকেই বলছেন উক্ত খাদ্য বিতরণ সম্পর্কে। একাধিক অভিযোগের তথ্য, মানসম্মত খাবার নয় এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে এ খাবারে শিশুরা রয়েছে।
প্রায় শিক্ষার্থীরা তাদের অভিভাবক বাবা,মা কে অস্বাস্থ্যকর খাবারের অভিযোগে বলেন,খাদ্যের মাঝে কি ভেজাল এবং খেতে কেমন তা সুস্বাদু নয় অস্বাস্থ্যকর।কলা গুলো আধা কাঁচা,পারুটি শক্ত এবং স্বাদ নয়,ডিম ঠান্ডা।
এবং কমলমতি শিশুদের উপযুক্ত খাবার নয় অস্বাস্থ্যকর খাদ্য তা অভিভাবকরাও জানায় এবং ঐ খাদ্য নিজেই খেয়ে দেখে বলেছেন।
উপজেলা প্রাথমিক অধিদপ্তর শিক্ষা কর্মকর্তা জিন্নাত আলী এ বিষয়ে তিনি জানান,এমন অস্বাস্থ্যকর খাবার বিষয়ে অবগত নন তিনি তথ্য বা অভিযোগ নেই তার দপ্তরে,এখন তা জানতে পারলাম বিষয়টি দেখবেন পরে। তথ্য জানার পরেও ভূমিকা তেমন নেই এ বিষয়ে।
ঐ খাবার বিতরণ অস্বাস্থ্যকর তবুও অভিযোগ সংক্রান্ত তথ্য সম্পর্কে জানায়-নি-১২১-টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ শিক্ষক বা কর্মচারী কেউই নয়।কিন্তু খাদ্য যে অসাস্থ্যকর তা গণমাধ্যমকে জানান একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ।শিক্ষকদের উদ্বেগ প্রকাশ্য অভিযোগে অসহায় বোধ এবং আতঙ্ক কাজ করছেন ধারণা প্রভাব রয়েছে কার।
উক্ত এনজিও সরকারের তত্ত্বাবধানে উপজেলা প্রশাসন খাদ্য বিতরণী প্রকল্পের দায়িত্বে সভাপতি নির্বাহী অফিসার।
এমন অস্বাস্থ্যকর খাবারে শিশুদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে।অভিভাবক,সংশ্লিষ্ট প্রশাসন,শিক্ষক,সহ শিক্ষা দপ্তর (Esdo)এনজিও গুরুত্ব নেই এ বিষয়ে কার?
দেশে শীতের প্রকোপে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে শিশুরা এমনিতেই রয়েছেন ঝুঁকিতে,অস্বাস্থ্যকর খাদ্যে অসুস্থতা রোগে ঝুঁকিপূর্ণ সম্ভাবনা তে।
