২৩ মে ২০২৬, ০৭:৫০ বিকেল
অপরাধ

সিদ্ধিরগঞ্জে আবাসিক ভবনে অবৈধ দেহব্যবসার অভিযোগ: প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা।

সিদ্ধিরগঞ্জে আবাসিক ভবনে অবৈধ দেহব্যবসার অভিযোগ: প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা রিপোর্ট মহারানী নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পাইনাদী এলাকার জোয়েল রোড স...

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৮ সকাল আপডেট: ২০ মে ২০২৬, ১০:৪৯ বিকেল পঠিত: ৬
সিদ্ধিরগঞ্জে আবাসিক ভবনে অবৈধ দেহব্যবসার অভিযোগ: প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা।
সিদ্ধিরগঞ্জে আবাসিক ভবনে অবৈধ দেহব্যবসার অভিযোগ: প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা


রিপোর্ট মহারানী নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:
নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পাইনাদী এলাকার জোয়েল রোড সংলগ্ন জোড়া খাম্বার পাশের একটি ভবনকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দেহব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, মৃত তাইজুদ্দিনের ছেলে বাদশা (ওরফে তেরা মার্কেটের কসাই বাদশা) এবং তার স্ত্রী লাভলী আক্তার যৌথভাবে এ অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

অভিযোগ রয়েছে, বাহ্যিকভাবে একটি সাধারণ চায়ের দোকানের আড়ালে এই চক্রটি গড়ে উঠলেও ভেতরে চলছে রমরমা দেহব্যবসা।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত নারী-পুরুষদের ওই ফ্ল্যাটে এনে দিনের ভিত্তিতে ২ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত কক্ষ ভাড়া নেওয়া হয়, যা মূলত অসামাজিক কার্যকলাপের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, এ ধরনের কার্যকলাপের কারণে সামাজিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে অবনতির দিকে যাচ্ছে।

তরুণ প্রজন্ম নৈতিক অবক্ষয়ের ঝুঁকিতে পড়ছে এবং পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করা সাধারণ মানুষ চরম অস্বস্তি ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

তারা আরও অভিযোগ করেন, এলাকার প্রভাবশালী কিছু বিএনপির নেতা ও পাড়া মহলের ছেলেদের সঙ্গে আঁতাতের কারণেই এ চক্রটি দীর্ঘ কয়েক বছর যাবত ধরে নির্বিঘ্নে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

তারা সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিশেষ করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার সকল প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এলাকাবাসী বলেন, “আমরা আমাদের এলাকার পরিবেশকে কলুষমুক্ত দেখতে চাই।

দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে এই অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধ করা হোক এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনা হোক।”