২৩ মে ২০২৬, ০৭:৫২ বিকেল
বিনোদন

হাজার হাজার ভক্তের উপস্থিতিতে কাপ্তাইয়ে মহা বারুণী স্নান অনুষ্ঠিত।

হাজার হাজার ভক্তের উপস্থিতিতে কাপ্তাইয়ে মহা বারুণী স্নান অনুষ্ঠিত। ঝুলন দত্ত, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি: মধুকৃষ্ণ ত্রয়োদশী তিথি উপলক্ষে রাঙামাটির কাপ্তাই সীতাঘাট শ্রীশ্রী মাতা স...

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫৮ বিকেল আপডেট: ২৩ মে ২০২৬, ০২:২২ বিকেল পঠিত: ৬
হাজার হাজার ভক্তের উপস্থিতিতে কাপ্তাইয়ে মহা বারুণী স্নান অনুষ্ঠিত।
হাজার হাজার ভক্তের উপস্থিতিতে কাপ্তাইয়ে মহা বারুণী স্নান অনুষ্ঠিত।

ঝুলন দত্ত, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:
মধুকৃষ্ণ ত্রয়োদশী তিথি উপলক্ষে রাঙামাটির কাপ্তাই সীতাঘাট শ্রীশ্রী মাতা সীতা মন্দিরে মহা বারুণী স্নান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) হাজার হাজার ভক্তের সমাগমে পুরো এলাকা পরিণত হয় এক মিলনমেলায়।
পার্বত্য চট্টগ্রামসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত সনাতন ধর্মাবলম্বীরা কর্ণফুলি নদীতে পবিত্র স্নান, সীতা মন্দির, শম্ভুনাথ মন্দির ও কালি মন্দিরে পূজা অর্চনা এবং মহাপ্রসাদ গ্রহণের মাধ্যমে ধর্মীয় আচার পালন করেন।
এ উপলক্ষে দিনব্যাপী অষ্টপ্রহরব্যাপী তারকব্রহ্ম মহানামযজ্ঞ, সীতা মেলা এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এটি এক সম্প্রীতির মিলনমেলায় পরিণত হয়।
মহা বারুণী স্নানে অংশ নিতে আসা রাঙ্গুনিয়ার শিক্ষক অভিজিৎ সরকার ও বুলবুলি কর্মকার জানান, ঐতিহাসিক এই তীর্থস্থানে এসে তারা নিজেদের ধন্য মনে করছেন। একইভাবে পটিয়া থেকে আগত এনজিও কর্মকর্তা তুষার দে বলেন, মন্দির দর্শন ও স্নান করতে পেরে তিনি আনন্দিত।
সীতাঘাট মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি সমলেন্দু বিকাশ দাশ বলেন, গত ২৬ বছর ধরে এখানে ভক্তদের সমাগম হচ্ছে এবং এটি একটি ঐতিহাসিক তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত। মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী জ্যোতির্ময়ানন্দ পুরি মহারাজ জানান, এটি সনাতন সম্প্রদায়ের একটি পবিত্র স্থান এবং ভবিষ্যতে এখানে কুম্ভমেলার আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
মহা বারুণী স্নান উপলক্ষে মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন। তিনি বলেন, এই আয়োজনটি সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে এবং এর উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য দয়াল দাশসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে দিনব্যাপী এই আয়োজন শেষ হয়, তবে ভক্তদের মধ্যে রেখে যায় গভীর আধ্যাত্মিক অনুভূতি।