সিদ্ধিরগঞ্জের আটি এলাকায় মাদকাসক্তদের কারিগর হারুন পরিবার! স্থানীয়দের ক্ষোভ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি। প্রতিবেদনে জয়নুল ইসলাম। নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।
নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন আটি ওয়াপদা কলোনী এলাকায় ফের আলোচনায় এসেছে এক বিতর্কিত পরিবার হারুন পরিবার। স্থানীয়দের অভিযোগ, হারুন নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে নিজে মাদকাসক্...
নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন আটি ওয়াপদা কলোনী এলাকায় ফের আলোচনায় এসেছে এক বিতর্কিত পরিবার হারুন পরিবার।
স্থানীয়দের অভিযোগ, হারুন নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে নিজে মাদকাসক্ত থেকে উঠতি বয়সী কিশোর ও তরুণদের মাদকাসক্ত এবং ছিনতাইকারীতে পরিণত করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হারুনের মেয়ে অনি ও ছেলে উৎস দুজনই তার মাদক চক্রের সক্রিয় সদস্য।
অভিযোগ রয়েছে, হারুনের মেয়ে অনি প্রায়ই আধুনিক পোশাক পরে প্রকাশ্যে সিগারেট ও গাঁজা সেবন করে। এমনকি নিজ বাড়িতেই বাইরের ছেলেদের ডেকে এনে ইয়াবা ও গাঁজা সেবনের আসর বসায়।
সম্প্রতি ওয়াপদা এলাকার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন সাইলো অঞ্চলের হিমেল নামের এক যুবককে রাতের অন্ধকারে বাড়িতে ডেকে নেয় হারুন ও তার সহযোগীরা।
সেখানে তাকে মারধর করে মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনার পর থেকেই স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
এলাকাবাসী জানায়, এর আগেও ছিনতাই, মাদক ও চাঁদাবাজির একাধিক ঘটনায় হারুন ও তার পরিবারের সদস্যরা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে জেল খেটেছে।
তবুও তাদের অপকর্ম বন্ধ হয়নি।
হারুনের বিরুদ্ধে মাদক অবস্থায় মাতলামি, নারীদের প্রতি অশালীন আচরণ এবং রাতের বেলায় চাঁদাবাজির মতো অভিযোগও দীর্ঘদিন ধরে চলছে।
এলাকাবাসীর দাবি, এই পরিবারের বিরুদ্ধে থাকা পুরনো মামলাগুলোর রেকর্ড নতুন করে যাচাই করা হোক এবং বর্তমান সময়ে তাদের চলাফেরায় কড়া নজরদারি রাখুক সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ, নারায়ণগঞ্জ জেলা ডিবি পুলিশ ও র্যাব-১১।
তারা আরও বলেন-
“ওসি মোঃ শাহিনুর আলমের প্রতি আমাদের অনুরোধ, আটি ওয়াপদা কলোনী এলাকায় মাদক ও ছিনতাইচক্রের এই পরিবারকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে এলাকাবাসীকে শান্তির নিঃশ্বাস নিতে সাহায্য করুন।”
সিদ্ধিরগঞ্জের আটি এলাকায় মাদকাসক্তদের কারিগর হারুন পরিবার! স্থানীয়দের ক্ষোভ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি।
প্রতিবেদনে জয়নুল ইসলাম।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, হারুন নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে নিজে মাদকাসক্ত থেকে উঠতি বয়সী কিশোর ও তরুণদের মাদকাসক্ত এবং ছিনতাইকারীতে পরিণত করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হারুনের মেয়ে অনি ও ছেলে উৎস দুজনই তার মাদক চক্রের সক্রিয় সদস্য।
অভিযোগ রয়েছে, হারুনের মেয়ে অনি প্রায়ই আধুনিক পোশাক পরে প্রকাশ্যে সিগারেট ও গাঁজা সেবন করে। এমনকি নিজ বাড়িতেই বাইরের ছেলেদের ডেকে এনে ইয়াবা ও গাঁজা সেবনের আসর বসায়।
সম্প্রতি ওয়াপদা এলাকার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন সাইলো অঞ্চলের হিমেল নামের এক যুবককে রাতের অন্ধকারে বাড়িতে ডেকে নেয় হারুন ও তার সহযোগীরা।
সেখানে তাকে মারধর করে মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনার পর থেকেই স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
এলাকাবাসী জানায়, এর আগেও ছিনতাই, মাদক ও চাঁদাবাজির একাধিক ঘটনায় হারুন ও তার পরিবারের সদস্যরা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে জেল খেটেছে।
তবুও তাদের অপকর্ম বন্ধ হয়নি।
হারুনের বিরুদ্ধে মাদক অবস্থায় মাতলামি, নারীদের প্রতি অশালীন আচরণ এবং রাতের বেলায় চাঁদাবাজির মতো অভিযোগও দীর্ঘদিন ধরে চলছে।
এলাকাবাসীর দাবি, এই পরিবারের বিরুদ্ধে থাকা পুরনো মামলাগুলোর রেকর্ড নতুন করে যাচাই করা হোক এবং বর্তমান সময়ে তাদের চলাফেরায় কড়া নজরদারি রাখুক সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ, নারায়ণগঞ্জ জেলা ডিবি পুলিশ ও র্যাব-১১।
তারা আরও বলেন-
“ওসি মোঃ শাহিনুর আলমের প্রতি আমাদের অনুরোধ, আটি ওয়াপদা কলোনী এলাকায় মাদক ও ছিনতাইচক্রের এই পরিবারকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে এলাকাবাসীকে শান্তির নিঃশ্বাস নিতে সাহায্য করুন।”
সিদ্ধিরগঞ্জের আটি এলাকায় মাদকাসক্তদের কারিগর হারুন পরিবার! স্থানীয়দের ক্ষোভ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি।
প্রতিবেদনে জয়নুল ইসলাম।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।