২৩ মে ২০২৬, ০৯:৪৫ বিকেল
অপরাধ

সিদ্ধিরগঞ্জে মৃত চান্দুর ভাই বকুল ও স্ত্রী রিতার নেতৃত্বে চলছে মাদক সাম্রাজ্য!

স্থানীয়দের দাবি নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত ব্যবস্থা প্রয়োজন। নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মৃত চান্দুর ভাই পিতা মোঃ ইব্রাহিমের ছেলে বকুল ও...

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৫, ০১:২৮ বিকেল আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২৫, ০১:৩২ বিকেল পঠিত: ১
সিদ্ধিরগঞ্জে মৃত চান্দুর ভাই বকুল ও স্ত্রী রিতার নেতৃত্বে চলছে মাদক সাম্রাজ্য!
স্থানীয়দের দাবি নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত ব্যবস্থা প্রয়োজন।

নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মৃত চান্দুর ভাই পিতা মোঃ ইব্রাহিমের ছেলে বকুল ও তার স্ত্রী রিতার নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে চলছে প্রকাশ্য মাদক ব্যবসা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বকুল ও রিতার মাদক সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ইয়াবা, ফেনসিডিল, হেরোইন ও গাঁজার বড় একটি নেটওয়ার্ক, যা ছড়িয়ে আছে পুরো সিদ্ধিরগঞ্জ থানাজুড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বকুলের মা মোছা. আমেলা বেগম ও স্ত্রী রিতা, মোঃ রহমান আলীর মেয়ে এরা মিলে পরিবারভিত্তিক এই মাদক চক্র পরিচালনা করছে।

কক্সবাজারসহ বিভিন্ন সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে নিয়মিতভাবে মাদক সংগ্রহ করে এনে সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় পাইকারী ও খুচরা সরবরাহ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এক ডজনেরও বেশি সেলসম্যান, যারা বিভিন্ন এলাকায় মাদক সরবরাহ ও বিক্রিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশের নিয়মিত তৎপরতার অভাবে এরা নির্বিঘ্নে এই মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

এলাকার কিছু অসাধু ব্যক্তি ও কথিত পুলিশ সোর্সদের সহযোগিতায় তারা আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে বহুদিন ধরে মাদক বিক্রি করছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

চান টাওয়ার এলাকার সামনে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যক্তি জানান,

“মাদকের কারণে এলাকার যুব সমাজ ধ্বংসের পথে। অনেক তরুণ মাদকের নেশার টাকার জন্য জড়িয়ে পড়ছে চুরি, ছিনতাই, ও অন্যান্য অপরাধে।

মহল্লায় প্রায়ই ঘটে দিনদুপুরে ছিনতাইয়ের ঘটনা।
নারী মাদক ব্যবসায়ী, দেহ ব্যবসা, ব্ল্যাকমেইলিং সবই বেড়ে গেছে।”

এলাকাবাসীর অভিযোগ, যারা প্রতিবাদ করেন তাদের বিরুদ্ধে উল্টো মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়। এতে সাধারণ মানুষ আতঙ্কে চুপ থাকছেন।

সচেতন মহল মনে করে, এই চক্রের মাদক সরবরাহকারীদের পাশাপাশি তাদের শেল্টারদাতাদেরও চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি।

সংশ্লিষ্টদের মোবাইল কললিস্ট ও যোগাযোগ নেটওয়ার্ক ট্র্যাকিং করলে পুরো সিন্ডিকেটকে শনাক্ত করা সম্ভব বলে এলাকার স্থানীয়দের ধারণা।

এ বিষয়ে সুশীল সমাজ, স্থানীয় অভিভাবক ও তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিরা নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ, জেলা ডিবি পুলিশ এবং র‍্যাব-১১-এর প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছেন,

দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে কুখ্যাত মাদক ব্যাবসায়ী মৃত চান্দুর ভাই মাদক ব্যাবসায়ী বকুলের স্ত্রী রিতা ও তার সহযোগীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে এবং যুব সমাজকে মাদক ও অপরাধের কবল থেকে রক্ষা করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

নারায়ণগঞ্জ,সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি।